Showing posts with label ছড়া. Show all posts
Showing posts with label ছড়া. Show all posts

Thursday, 4 June 2020

রাম শ্যাম যদু মধু

রোববার সকালেতে রামবাবু ভাবে, 
সারাদিন শুয়ে বসে কষে ল্যাদ খাবে;
গিন্নীর চিৎকার,
উঠে পড়ো এইবার,
চটপট চা-টা খেয়ে বাজারেতে যাবে৷৷



বদরাগী শ্যামবাবু পড়ল কি রোগে, 
শ্মশানেতে মেতে থাকে তান্ত্রিক যোগে;
হরলাল ডাক্তার,
নেই হাঁকডাক তার,
জোলাপ খাওয়ালো কষে, রোগ গেল ভোগে৷৷




যাদবপুরের যদুবাবু লোকটি বড়ই ঠাণ্ডা,
মুখটি বুজে চুপটি থাকো, এটাই তাহার ফান্ডা;
কিন্তু যদি খাবার পাতে,
মটন চিকেন রুই না থাকে,
ভীষণ রেগে মাথায় তোমার বসিয়ে দেবেন ডান্ডা৷৷



মধুবাবু মোক্তার, বহু নামযশ তার, 
এজলাশে আর যত উকিলরা খায় ঝাড়;
সংসার বাওয়ালে,
গিন্নীর সওয়ালে,
মধুবাবু মারে চুপ, মুখে নাই সাড়৷৷

ছবিঃ অনির্বাণ সেনগুপ্ত

Sunday, 4 September 2016

ইস্কুলের ছড়া





দশানন দফাদার, অঙ্কের মাস্টার,
রেগে গেলে ছুঁড়ে মারে চক পেন ডাস্টার।
পা পিছলে সিঁড়িতে,
ঠাং ভেঙে ফিরিতে,
একমাস কুপোকাৎ পায়ে নিয়ে প্লাস্টার।।




রামতনু রুইদাস, পড়াতেন ইতিহাস,
পুষতেন একজোড়া দুধসাদা রাজহাঁস।
দরজাটা খোলা পেয়ে,
গেল তারা পালিয়ে,
দুঃখেতে রামবাবু ফেলে দীরঘঃশ্বাস।।




ভূগোলের দিদিমণি, মিস মণিমালিনী,
এমনিতে ভালো বটে, খেপলে চণ্ডিনী।
ক্রিম্বাস কারে কয়,
আখরোট কোথা হয়,
বলতে না পারলেই খাবে রামপিটুনী।।




শ্যামলাল শিকদার, মাথাজোড়া টাক তাঁর,
ইংরেজি ক্লাসে বসে ঘুমোতেন বারবার।
চুল মোটে কয়গাছি,
তাই দিয়ে সাজি সাজি,
কত বৃথা চেষ্টা যে টাকখানি ঢাকবার।।



ছবিঃ অনির্বাণ সেনগুপ্ত
প্রথম প্রকাশঃ শারদীয়া অবকাশ ১৪২১

Saturday, 25 May 2013

সব চরিত্র কাল্পনিক

কেউ শুধু কোড লেখে,
কেউ গুঁড়ো করে,
কেউ বা অঙ্ক কষে
খাতা গুলো ভরে।

কেউ রোজ পাতা ছোঁড়ে,
বাঘ হাতি মেরে,
কেউ বা চেয়ারে বসে
চুল গুলো ছেঁড়ে।

কেউ করে ফেসবুক,
দিনের বেলায়,
কেউ বা দরিদ্র, সে
ফিলিম নামায়।

কেউ থাকে ক্যান্টিনে,
কেউ জল ভরে,
কেউ বা ছাত্রী পেলে
নিয়ে যায় ঘরে।

কেউ ভাবে আমি দেব,
কেউ বলে আমি,
কেউ বা বহুবচন,
হয় সর্বগামী।

দেখে শুনে ছড়া কেটে,
কইছে অতনু,
আমরা যে হক্কলে
বিজ্ঞানী হনু।